চাকুরী থেকে জোরপূর্বক রিজাইন পরিস্থিতিতে করণীয় | What to do when you are forced to resign?

চাকুরী থেকে জোরপূর্বক রিজাইন পরিস্থিতিতে করণীয় | What to do when you are forced to resign?

 

চাকুরী থেকে জোরপূর্বক রিজাইন পরিস্থিতিতে করণীয় | What to do when you are forced to resign?

কর্পোরেট জগতে বা চাকুরীর ক্ষেত্রে রিজাইন খুব পরিচিত একটি শব্দ। রিজাইন বা চাকুরী থেকে অব্যাহতি কখনো আনন্দের কারণ এবং কখনো বেদনার কারণ হয়ে দাঁড়ায় । একজন কর্মী যখন কোন একটি প্রতিষ্ঠানে কর্মরত অবস্থায় থাকেন এবং অন্য কোনো প্রতিষ্ঠান যখন তার ক্যারিয়ার জগতে বর্তমান অবস্থার চেয়ে ভালো কোনো সুযোগ পায় তখন সে বর্তমান কর্মরত প্রতিষ্ঠান থেকে অব্যাহতি নেওয়ার জন্য আবেদন করেন বা রিজাইন দেন। চাকুরী থেকে অব্যাহতি নেওয়ার এটি খুব স্বাভাবিক প্রক্রিয়া । এ ধরনের রিজাইন গুলো আনন্দময় হলেও কিছু কিছু ক্ষেত্রে রিজাইন রয়েছে যেগুলো সম্পূর্ণ এর বিপরীত।

কর্পোরেট জগতে চাকুরির ক্ষেত্রে অনেক সময় লক্ষণীয় যে, নির্দিষ্ট কোন কর্মীকে লক্ষ্য করে তাকে চাকুরীচ্যুত করার জন্য তার কোন সামান্য ভুল বা এমন কোনো ভুল যেটি চাকরি হারানোর মত নয় বা চাকুরী নেওয়ার সময় চাকুরীচ্যুত হওয়ার যে শর্তগুলো ছিল তার আওতাধীনও নয় তারপরেও তাকে চাকুরীচ্যুত করার জন্য বিশেষ একটি মহল বা ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ কৌশলে চাপ সৃষ্টি করেন। আমরা এটাকে বলে থাকি জোরপূর্বক রিজাইন ।

কেন একজন কর্মী জোরপূর্বক রিজাইন দিতে বাধ্য হবে?
Why would someone be forced to resign?

একজন কর্মী সাধারণত একটি প্রতিষ্ঠানে চাকুরীরত অবস্থায় দুইটি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে চাকুরী থেকে অব্যাহতি নেন। এই দুইটি প্রক্রিয়া স্বাভাবিক হলেও আরো একটি প্রক্রিয়া রয়েছে যেটি অস্বাভাবিক। এই তিনটি কারণ নিচে ধারাবাহিকভাবে বর্ণনা করা হলো:

প্রথম কারন: চাকুরীর শর্ত ও কোম্পানি প্রচলিত নিয়ম: একজন কর্মী একটি প্রতিষ্ঠানে চাকুরীর নেওয়ার সময় তাকে যে সমস্ত শর্তগুলো মেনে চাকুরী করার জন্য প্রস্তাব করা হয়েছে তার সবগুলোই তাকে পালন করে চাকুরী করতে হবে। এবং তার চাকুরীর কোন শর্ত যদি অমান্য করেন বা কোন কারণে উক্ত শর্ত পূরণে ব্যর্থ হন তাহলে তার জন্য কি কি শাস্তি হতে পারে বা কর্তৃপক্ষ কোন ধরনের পদক্ষেপ গ্রহণ করতে পারে সেই অনুযায়ী তার অপরাধের ধরনের উপর ভিত্তি করে যদি সে চাকরিচ্যুত হওয়ার পর্যায়ে পড়ে তাহলে সেক্ষেত্রে তিনি চাকরীচ্যুত হতে পারেন। তবে এখানে উল্লেখ করে রাখা ভালো যে সব অপরাধের শাস্তি চাকরিচ্যুত নয়। তবে প্রাইভেট কোম্পানি গুলোর ক্ষেত্রে দেখা যায় অনেক সময় চাকুরিচ্যুত হওয়ার কারণগুলো উল্লেখ থাকে আবার অনেক সময় থাকে না যার কারণে অনেক সময় সামান্য কারনেও একজন কর্মীকে চাকুরিচ্যুত করতে পারে। তবে এখানে একজন কর্মীর বিরুদ্ধে যদি সুস্পষ্টভাবে প্রমাণিত হয় যে তার অপরাধটি চাকুরির শর্ত অনুযায়ী অথবা কোম্পানির প্রচলিত নিয়ম অনুযায়ী চাকুরিচ্যুত হওয়ার মতো  সেক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান তাকে বরখাস্ত করবে তাকে চাকুরি থেকে অব্যাহতি প্রদান করবে। যেহেতু এখানে কর্মী তার অপরাধের কারণে বরখাস্ত হচ্ছেন, সেহেতু তাকে ব্যক্তিগতভাবে রিজাইন দেওয়ার কোনো প্রয়োজন পড়ছেনা। কারণ তিনি ইতিমধ্যে উক্ত কোম্পানি থেকে বরখাস্ত হয়েছেন এবং  উক্ত প্রতিষ্ঠানে অবশ্যই তাকে বরখাস্ত করার কারণ সম্বলিত চিঠি প্রদান করেছেন বা কারণ দর্শানোর নোটিশ করেছেন।  অতএব এখানে ব্যক্তিগতভাবে রিজাইন লেটার লিখে রিজাইন দেওয়ার কোনো প্রয়োজন নেই। বরং উক্ত প্রতিষ্ঠানের কোন নিয়ম নীতি থেকে থাকে তাহলে তিনি আপিল করতে পারবেন ।

দ্বিতীয় কারণ: ব্যক্তিগত কারণে চাকুরী থেকে অব্যাহতি: কোন প্রতিষ্ঠানে কর্মরত কর্মী যদি চাকুরী করতে না চান তাহলে তাকে চাকুরীর শর্ত অনুযায়ী চাকুরী থেকে অব্যাহতির নেওয়ার যে প্রক্রিয়া উল্লেখ ছিল বা কোম্পানির বর্তমান যে প্রচলিত রয়েছে বিধি রয়েছে সেই অনুযায়ী চাকুরী থেকে অব্যাহতির জন্য আবেদন করে চাকুরি থেকে অব্যাহতি নিতে পারেন। সেক্ষেত্রে তিনি উক্ত কোম্পানিতে বর্তমানে যে পদে বা যে ডিপার্টমেন্টে দায়িত্বে রয়েছেন সেখানে তার যাবতীয় দায়-দায়িত্ব আনুষাঙ্গিক হিসাব নিকাশ বুঝিয়ে দিয়ে তাকে চাকুরী থেকে অব্যাহতি নিতে হবে। এটি খুব স্বাভাবিক প্রক্রিয়া চাকুরী থেকে অব্যাহতি নেওয়ার জন্য। এবং এই প্রক্রিয়াতে সেক্ষেত্রে খুব সহজেই চাকুরি থেকে অব্যাহতি নিতে পারবেন ।

তৃতীয় কারণ: জোরপূর্বক রিজাইন (Forced resignation by employer): জোরপূর্বক রিজাইন আমাদের আজকের আলোচনার মূল বিষয়বস্তু। চাকুরী থেকে অব্যাহতির নেওয়া বা অব্যাহতি পাওয়ার জন্য আমরা উপরে ধাপে ধাপে দুটি কারণ বর্ণনা করেছি। এগুলো খুবই স্বাভাবিক প্রক্রিয়া কিন্তু এর বাইরেও ও একটি অস্বাভাবিক প্রক্রিয়া রয়েছে যেটি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে নির্দিষ্ট কিছু কর্মীকে টার্গেট করে তাদেরকে চাকরিচ্যুত করার জন্য জোরপূর্বক রিজাইন দেওয়ার চাপ সৃষ্টি করা হয়। এই চাপ গুলো সাধারণত ভুক্তভোগী কর্মীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা বা বিশেষ একটি মহল করে থাকে কাউকে লক্ষ্য করে চাকরিচ্যুত করার জন্য।

বিষয়টি একেবারেই পরিষ্কার, যদি একজন কর্মী কোন অপরাধ করে থাকেন আর সেই অপরাধ যদি চাকরি হারানোর মত হয় তাহলে তাকে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে বরখাস্ত করে দিলেই যথেষ্ট। এমনিতেই তার চাকুরী চলে যাবে। কিংবা উক্ত কর্মী যদি আর চাকুরী করতে না চান তাহলে তিনি তার ব্যক্তিগত কারণ দেখিয়ে রিজাইন দিয়ে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান থেকে চলে যাবেন।

এই দুটোর মাঝখানে আরো একটি বিষয় কাজ করছে সেটি হচ্ছে একজন কর্মী উক্ত প্রতিষ্ঠান থেকে চাকুরী ছাড়তে রাজি নয় বা রিজাইন দিতে চাচ্ছে না অপরদিকে তার উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ তাকে রিজাইন দিতে বাধ্য করছে। এমনটা কেন হয়?

আমাদের দেশে অনেক প্রতিষ্ঠান এমনটি হয়। সকলের উদ্দেশ্যে আমি একটি প্রশ্ন করছি আপনারা কমেন্ট সেকশনে উত্তর দেবেন। একজন কর্মী চাকুরী থেকে অব্যাহতি দেওয়ার সময় লেটারে কি কি কারন লিখেন? এর উত্তর কী আসবে? রিজাইন এর মূল বিষয়বস্তু হিসেবে উত্তরগুলো স্বাভাবিকভাবে এরকম আসবে পারিবারিক সমস্যা, ব্যক্তিগত সমস্যা, শারীরিক অসুস্থতা, অন্য কোম্পানিতে এর চেয়ে ভাল সুযোগ, বিদেশ গমন ইত্যাদি । এটি খুবই স্বাভাবিক যে একজন ব্যক্তি যে কারণে চাকরি থেকে অব্যাহতি নিলেন তার রিজাইন লেটারে তিনি যে কারণটা উল্লেখ করবেন। এখন আপনারা আমাকে বলুন, একজন ব্যক্তি যখন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার চাপে চাকুরী থেকে রিজাইন দেবেন বা ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার নির্দেশে রিজাইন লেটার লিখবেন তখন তার বিষয়বস্তু কী লিখবেন? রিজাইন লেটারে কি তিনি লিখবেন যে, বসের চাপে চাকুরী থেকে অব্যাহতির জন্য আবেদন বা উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের চাপে চাকুরী থেকে অব্যাহতির জন্য আবেদন? না, আসলে এমন কখনো হয়না, একজন কর্মী যে কারণেই চাকুরী থেকে অব্যাহতি নেয়, সে কিন্তু অব্যাহতি পত্র তার ব্যক্তিগত সমস্যা উল্লেখ করেন। এখানে মাঝখানে যে শ্রেণীর একজন কর্মীকে চাকুরী থেকে রিজাইন দিতে বাধ্য করে তারা কেন ধরাছোঁয়ার বাইরে?

একজন কর্মীকে জোরপূর্বক রিজাইন দেওয়ার জন্য চাপ সৃষ্টি করার সম্ভাব্য কিছু কারণ উল্লেখ করা হলো:

·        উক্ত কর্মী ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সকল নির্দেশ যথাযথভাবে পালন না করা । যার ফলে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ উক্ত কর্মী যে সেকশনে দায়িত্ব পালন করছেন তার ইউনিট থেকে বিশেষ কোনো সুবিধা হাসিল করতে পারছেন না।

·        অনেক সময় কোনো কর্মীকে ব্যক্তিগত অপছন্দ বা আচরণগত ক্রুটির কারনে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ তার প্রতি অসন্তুষ্ট। তবে তার বিরুদ্ধে চাকুরী যাওয়ার মতো যথাযোগ্য কারণ না থাকার ফলে তাকে কৌশলে চাকরি থেকে অব্যাহতি পত্র লেখার জন্য চাপ দেওয়া হয়।

·         আরেকটি হল টার্মিনেশান বা চাকুরীর অবসান। সেটি হল কোনও মালিকের আপনাকে পছন্দ হচ্ছে না কিন্তু সে আপনাকে বরখাস্ত করার কোন কারণ দিতে পারছে না। সেটা কে বলা হয় টার্মিনেশান।

·        অনেক সময় সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের কর্তৃপক্ষ কর্মী ছাঁটাই করা প্রয়োজন হলে কর্মীর উপর কৌশলের চাপ সৃষ্টি করতে থাকে যাতে করে সে নিজে থেকেই চাকুরী ছেড়ে চলে যায় । এর কারণ হিসেবে দেখা যায়, কোন প্রতিষ্ঠান যদি বিনা কারণে কোনো কর্মীকে ছাঁটাই করা হয় তাহলে নির্দিষ্ট কিছু সময় পর্যন্ত তার বেতন পরিশোধ করে তারপর তাকে চাকুরী থেকে অব্যাহতি দিতে হয়। তাই কর্তৃপক্ষ এই অর্থ পরিশোধ না করার লক্ষ্যে চেষ্টা করে যাতে কর্মী কর্মীরা নিজে নিজে চাকুরী থেকে অব্যাহতি দিয়ে চলে যায়। কারণ এতে করে উক্ত কোম্পনীর  ক্ষতিপূরণ দিতে হয়না ।

উল্লিখিত কারণগুলো ছাড়াও আরো বিভিন্ন কারণে বা বিভিন্ন কৌশলগত দিক বিবেচনায় নিয়ে কর্মীদের ওপর কর্তৃপক্ষ বা বিশেষ কোনো মহল তাদেরকে চাকুরী থেকে জোরপূর্বক দেওয়ার জন্য কৌশলে চেষ্টা চালাতে পারে। এক্ষেত্রে একজন কর্মীর যা যা করণীয় তা নিম্নরূপ:

·        পরিস্থিতি বুঝে আপনি আপনার কর্মস্থলে অর্থ অটুট থাকুন এবং কোম্পানিতে আপনার দায়িত্ব হিসাব-নিকাশ আনুষঙ্গিক যা যা রয়েছে তা স্বচ্ছতার ও সঠিকভাবে পালন করতে থাকুন ।

·        অন্যান্য কর্মীদের সাথে সুসম্পর্ক রাখুন ও অন্য কারো সমালোচনা করা থেকে বিরত থাকুন।

·        আপনাকে চাকুরী থেকে অব্যাহতি নেওয়ার জন্য যিনি বাধ্য করছেন এবং তাতে তার কি লাভ সেটি অনুসন্ধান করার চেষ্টা করুন এবং সম্ভব হলে যিনি আপনাকে চাকুরীচুত্য করার চেষ্টা করছেন তার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা বা সরাসরি মালিকপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার চেষ্টা করুন ।

·        মাথা গরম করে বা রাগের মাথায় রিজাইন দেওয়ার প্রয়োজন নেই।  ঠান্ডা মাথায় সিদ্ধান্ত নিন।

·        আপনি এবং যারা আপনাকে চাকুরীচুত্য করতে চাচ্ছেন যদি উভয়ের মধ্যে কোন বিষয়ে ভুল বোঝাবুঝির কারণে এমনটি হয় তাহলে তা খোলাখুলি আলোচনা করে সমাধান করার চেষ্টা করুন ।

·        আপনার সিনিয়র ম্যানেজমেন্ট যেসকল কারণে আপনার প্রতি অসন্তুষ্ট আপনি যদি সেটি অনুধাবন করতে পারেন তাহলে সে ব্যাপারে সংশোধন হওয়ার চেষ্টা করুন ।

·         আপনার ভিতরে নেতিবাচক কোন গুণাবলী থাকলে যা এই কোম্পানীর জন্য ক্ষতিকর তাহলে তা অবশ্যই বর্জনীয়।

·        আপনাকে যদি আপনার সিনিয়র মানেজমেন্ট সরাসরি রিজাইন দিতে পারবে তাহলে আপনি আপনার অপরাধ সম্পর্কে জানতে চান।

·        আপনার কর্মরত প্রতিষ্ঠানের সিনিয়র ম্যানেজমেন্ট থেকে আপনাকে যদি শোকজ করা হয় তাহলে তার সঠিক জবাব বা ব্যাখ্যা প্রদান করুন ।

·        পরিস্থিতি যদি বেশি জটিল হয় তাহলে আপনার কোম্পানিতে যদি শ্রমিক ইউনিয়ন বা শ্রমিকদের কোন সংগঠন থাকে আপনি তাদের সহযোগিতা নিতে পারেন ।

স্বাভাবিকভাবেই আপনাকে বুঝে নিতে হবে যখন আপনার কোম্পানীর সিনিয়র ম্যানেজমেন্ট আপনাকে রিজাইন দিতে বলছে, তখন দুটি কারণ হতে পারে। প্রথমটি হচ্ছে, আপনি এই কোম্পানিতে কোন অপরাধ করেছেন কিন্তু সেই অপরাধটির দ্বা্য়ে আপনাকে চাকুরী থেকে অব্যাহতি দেওয়ার মতো নয়, কিন্তু তারা আপনাকে আর এই কোম্পানিতে আর রাখতে চাচ্ছে না। কিন্তু প্রক্রিয়াগত কিছু জটিলতার কারণে তারা আপনাকে উক্ত অপরাধের দ্বায়ে  চাকুরীচুত্য করতে পারছে না। যার কারণে ম্যানেজমেন্ট কৌশলে চাপ সৃষ্টি করে আপনাকে এই কোম্পানি থেকে বের হয়ে যাওয়ার পরিস্থিতি সৃষ্টি করছে। অপর কারনটি হচ্ছে তারা আপনাকে অপছন্দ করছে, এই অপছন্দের জন্য কোন কারণ দর্শাতে ব্যর্থ, যার কারণে আপনাকে কৌশলে এই কোম্পানি থেকে বের হয়ে  জন্য ছক আঁকছে।

সম্মানিত পাঠকবৃন্দ, বর্তমানে আমাদের দেশে বিশেষ করে প্রাইভেট কোম্পানিতে কথায় কথায় চাকুরী হারানো বা অল্প অপরাধেই চাকুরী হারানো নতুন কিছু নয়। আপনার প্রতিষ্ঠান যদি আপনাকে কোন কারণে বা অকারণে জোরপূর্বক চাকুরীচ্যুত করার চেষ্টা করে আপনি সেখানে ভেবেচিন্তে সিদ্ধান্ত নিন। আপনি যদি সেখানে কোন প্রকার ষড়যন্ত্রের কবলে পড়ে থাকেন তাহলে যতদ্রুত সম্ভব আপনি অন্যত্র চাকুরী খুঁজুন। কারণ এখানে আপনার ভবিষ্যতে আপনার অন্যান্য ক্ষতি হওয়ার সম্ভাবনা থাকতে পারে যা আপনার পরবর্তীতে কোন ক্যারিয়ারের জন্য মারাত্মক আকার ধারণ করতে পারে। তাই পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে সঠিক সময়ে সঠিক সিদ্ধান্ত নিন। আপনার কর্মজীবন সুখময় হোক সেই প্রত্যাশাই করছি ।


এস এম শামীম হাসান
জনসংযোগ কর্মকর্তা, ব্যাংকিং টাচ

ফেসবুক: facebook.com/smshamimhasanbd
ই-মেইল: [email protected]

 সকল ক্যাটাগরী ব্রাউজ করতে এখানে ক্লিক করুন... 


এই আর্টিকেলের তথ্য ও বিষয়বস্তু পূর্ব-প্রকাশিত উৎস থেকে গৃহীত হয়েছে বা তার আলোকে সম্পাদিত হয়েছে। উক্ত তথ্যের দায়ভার কোনভাবেই আমাদের নয়। বিস্তারিত জানতে এখানে ক্লিক করুন..........

All information and data used in this article collected from a pre-published source. We are not responsible for that information. Read details......

আপনার একটু সমর্থনই আমাদের এগিয়ে চলা ও আরও ভাল কিছু করার অনুপ্রেরণা যোগায়। আপনার মূল্যবান সমর্থনটি জানাতে ভিজিট করুন আমাদের সমাজিক যোগযোগের পেজগুলোতে ও লাইক, ফলো ও সাবস্ক্রইব করে আমাদের সাথে থাকুন। ধন্যবাদ

ফেসবুক

ইনস্ট্রাগাম

টুইটার

ইউটিউব

কোভিড-১৯ করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে সরকার ঘোষিত স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলুন। বিস্তারিত.......


0 Comments: